রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

মা

 #মা

আয়া সেন্টার থেকে ওনাকে পাঠানো হয়েছিল । শয্যাশায়ী মাকে দেখেই বলে উঠলেন - পড়া পেশেন্ট আমি ধরব না । আমার শরীরে কুলাবে না । বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন । ফিরেও এলেন ঘণ্টাখানেক পর । সেন্টার ফের ওনাকেই পাঠিয়েছে, অন্য লোক নেই । বললেন আমার হাতে হাতে একটু ধরতে হবে । ধরলাম । সন্ধ্যাবেলায় চলে যাওয়ার আগে বললেন - মা যেন বিছানার ধারে চলে না আসে , একটু দেখো । এই পেশেন্ট যদি খাট থেকে পড়ে যায়, তাহলে কিন্তু ওনারও শাস্তি, তোমাদেরও । পড়ে থাকা যে কী শাস্তি তুমি বুঝবেনা বাবা । এক কথায় দু'কথায় নিজের প্রসঙ্গও এসে পড়ল । বললেন - স্বামী ষোলো বছর ধরে নিরুদ্দেশ (তবুও সিঁথিতে সিঁদুর , কপালেও)। দুই ছেলে , একজন আন্দামানে থাকে , আরেকজন কল্যানীতে । দুজনই নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত, কেউই আমাকে দেখে না । বেঁচে থাকতে হবে তো , তাই এই বয়সেও আয়ার কাজ করি । বাড়ি ভাড়া দিতে হয় মাসে তিন হাজার টাকা । এখন বলো তো, আয়ার কাজ করে যা পাই , সেটুকু পেটকে দেব, না বাড়িওয়ালাকে ? অসুখবিসুখ হলে চিকিতসা করার পয়সাও থাকেনা । বেঁচে থাকার অনেক জ্বালা , বুঝলে ।


অণু গল্প



আধুনিক অণুগল্প
৫০ শব্দের অনুগল্প
১০ শব্দের অনুগল্প

হুগলির গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা ও ‘ভাণ্ডার লুট’-এর রোমাঞ্চকর ইতিহাস

  পুরীর পরেই যার স্থান: হুগলির গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা ও ‘ভাণ্ডার লুট’-এর রোমাঞ্চকর ইতিহাস বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য পীঠস্থান হুগলি...